Sunday, September 24, 2017

সিবিএনএ কানাডা থেকে : স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী তথা জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষ্যে কানাডার প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংগঠন ভয়েস ফর একাউন্ট্যাবিলিটি এণ্ড গুড গভার্নেন্স ইন বাংলাদেশ – ভিএজি,বির উদ্যোগে ২০ আগস্ট রোববার বিকেল মন্ট্রিয়ল নগরীর ৬৭৬৭ কোট দ্য নেইজ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। সংগঠনের সভাপতি শাহ মোস্তাইন বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভাটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ডঃ শোয়েব সাঈদ। সভায় আলোচক হিসেবে অংশ নেন লেখক-গবেষক তাজুল মোহাম্মদ, শিক্ষাবিদ ডঃ আব্দুল মুত্তালিব, ডঃ কুদরাতে খোদা, ডঃ সৈয়দ জাহিদ হোসেন, খান মাশরেকুল আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ফিরোজ, দিলীপ কর্মকার, কবি সহিদ রাহমান, অধ্যাপক বিদ্যুৎ ভৌমিক ও কবি আবুল হাসিব। সভায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আবুল আলম, শামীম ওয়াহিদ, শরদিন্দু দাস, আরিয়ান হক, এডোয়ার্ড কর্ণেলিয়াস গোমেজ, অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, মাসুম আনাম, শরীফ ইকবাল চৌধুরী, কাজী মাজহারুল ইসলাম, নাহিদা আকতার, মোঃ সিদ্দিক ও মোঃ রাজীব।
আলোচনাকালে বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু হলেন আমাদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান – স্বাধীনতার মহান স্থপতি। তিনি আমাদের জাতির পথ প্রদর্শক; আমাদের নেতা ও পিতা। কোটি কোটি মানুষকে তিনি আত্মপরিচয়ের গর্ব দিয়ে জাগিয়ে তুলেছেন। অবদমিত জনগোষ্ঠীকে তিনি স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন এবং আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছেন। একাত্তর সনে মুক্তিকামী জনতা ‘জয় বংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনি দিয়েই হানাদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুর ছিলো অপরিমেয় দেশপ্রেম; আর মানুষের প্রতি ছিলো গভীর ভালোবাসা। তিনি ছিলেন সাম্প্রদায়িকতার উর্ধে এবং শতভাগ ধর্মনিরপেক্ষ। ধর্ম এবং রাষ্ট্রকে আলাদা অবস্থানে রাখা ছিলো তার রাজনীতির অন্যতম মূল দর্শণ। ১৯৭২ সনের জাতীয় সংবিধানে তার এই দর্শণের প্রতিফলন ঘটে এবং দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলি নিষিদ্ধ হয়ে যায় এবং সমাজে অভুতপূর্ব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে। কিন্তু তাকে হত্যার পর এই মূল দর্শণ থেকে জাতিকে বিচ্যুত করা হয়, আজো পূর্বাবস্থায় ফিরে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
বক্তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন ছাত্ররাজনীতির সৃষ্টি এবং সেই আন্দোলনের সংগঠক। ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র নেতৃত্ব সৃষ্টির সুযোগ ছিলো বলেই বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ সফল হয়েছে। দুঃখের বিষয়, বর্তমানে ছাত্রনেতৃত্ব সৃষ্টির প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। প্রায় তিন দশক ধরে দেশের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রসংসদ নির্বাচন হয় না। এটা জাতির ভবিষ্যতের জন্য মঙ্গলজনক নয়।

0 Comments

Leave a Comment

সব খবর (সব প্রকাশিত)

লক্ষ্য করুন

প্রবাসের আরো খবর কিংবা অন্য যে কোন খবর অথবা লেখালেখি ইত্যাদি খুঁজতে উপরে মেনুতে গিয়ে আপনার কাংখিত অংশে ক্লিক করুন। অথবা ‌উপরেরর মেনু'র সর্বডানে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন এবং আপনার খবর বা লেখার হেডিং এর একটি শব্দ ইউনিকোড ফন্টে টাইপ করে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।