Tuesday, September 26, 2017

অনিল দাশ গুপ্ত

সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত বলেছেন, জামাত বিএনপি’র পৃষ্ঠপোষকতায় একটি চক্র ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আওয়ামী লীগের অবস্থান দূর্বল করার ষড়যন্ত্র করছে। এ চক্রটি সুকৌশলে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আওয়ামী লীগের মাঝে বিভক্তি আনছে। তারা গোপনে ও প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। ইউরোপের প্রতিটি দেশের মুজিব আদর্শের কর্মীরা তাদের এ চক্রান্ত বাস্তবায়ন করতে দেবে না। আগামী বছর অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে দলের ঐক্য ও শক্তি বিনষ্ট করার জন্য এ চক্রটি মরিয়া হয়ে উঠেছে।প্রয়োজনে শক্তহাতে এ দুষ্টচক্রকে মোকাবেলা করা হবে বলে জানান সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত।
সম্প্রতি সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের নাম ব্যবহার করে সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারন সম্পাদককে অব্যাহতি দেয়া প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন এ বর্ষীয়ান নেতা।

অনিল দাশ গুপ্ত বলেন, সম্প্রতি অষ্ট্রিয়া সফরকালে দলীয় সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের ঐক্য বজায় রাখার স্বার্থে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পুর্বে ইউরোপের সকল দেশে কোন সম্মেলন না করার মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অনিল দাশ গুপ্তের স্বাক্ষর ছাড়া কোন কমিটিকে বৈধতা দেয়া হবে না বলে জানিয়েছিলেন। পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এম এ গনিকে বয়সের কারনে সাংগঠনিক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার মৌখিক নির্দেশ দেন।

সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত দলের ঐক্যের স্বার্থে অনেক সময় নীরবতা পালন করেন জানিয়ে বলেন, এ নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবা ঠিক হবে না। সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক কারো সঙ্গে পরামর্শ না করেই শামীম হককে অব্যাহতি দিয়েছেন।
এটা সম্পুর্ন অগঠনতান্ত্রিক উল্লেখ করে বর্ষীয়ান এ নেতা বলেন, কোন ক্লাবের সদস্য বা কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দেয়ার পুর্বে কার্য নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচনা করা হয়।এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে কারন দর্শানো নোটিশ দেয়ার পর সন্তোষজনক জবাব না পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেয়ার বিধান রয়েছে। সেখানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মতো একটি গৌরবজনক রাজনৈতিক দলের শাখা কমিটি থেকে কারো সঙ্গে আলোচনা না করে কাউকে অব্যাহতি দেয়ার মতো ধৃষ্টতা দেখানো অন্যায়।

এর পিছনে কোন গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে উল্লেখ করে অনিল দাশ গুপ্ত বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কোন ক্যান্টনমেন্ট সৃষ্ট দল না। এ দলটির রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল রাজনৈতিক ইতিহাস। স্বৈরশাসকের মতো কলমের খোচায় এ দল থেকে ইচ্ছা হলেই কাউকে বের করে দেয়া যায় না। এছাড়া সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এম এ গনি এ বিষয়ে কারো সঙ্গে আলোচনা করেননি। নিজের ইচ্ছামতো কাগজের প্যাডে অব্যাহতি পত্র লিখে দিয়েছে।

সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সাধারন সম্পাদক শামীম হককে দলীয় সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে দায়িত্ব দিয়েছেন জানিয়ে এ বর্ষীয়ান নেতা বলেন, শামীম হকের নাম কেন্দ্রে পাঠানোর পর দলীয় সভাপতি নিজে সেটা অনুমোদন করেছেন। এখন চাইলেই কলমের খোচায় এম এ গনি তাকে অব্যাহতি দিতে পারেন না।

শামীম হক দেশে সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি ইউরোপের প্রতিটি দেশে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সম্প্রতি বেলজিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের প্রতি সম্মান জনিয়েছে শামীম হকের নেতৃত্বে স্পেন আওয়ামী লীগ। সুইজারল্যান্ডে শামীম হকের নেতৃত্বে রক্তদান কর্মসূচী পালিত হয়েছে। শামীম হক তার মেধা ও সাংগঠনিক যোগ্যতা দিয়ে ইউরোপের প্রতিটি দেশে আওয়ামী লীগের অবস্থান শক্তিশালী করছে। এর জন্য কেউ যদি ঈর্ষান্বিত হয়ে কোন হঠকারী সিদ্ধান্ত নেয় তার দায়িত্ব দল নিবে না।

সংগঠনের ঐক্য বজায় রাখার স্বার্থে সকল ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলার জন্য মুজিব আদর্শের প্রতিটি সৈনিকের প্রতি আহবান জানিয়ে এ নেতা বলেন, দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকেন। যে বা যারা দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারা করছে তাদের শক্তহাতে মোকাবেলা করতে হবে। জামাত বিএনপি’র অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ইতিমধ্যে তাদের বিষয়ে কেন্দ্রে জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত।

 

0 Comments

Leave a Comment

সব খবর (সব প্রকাশিত)

লক্ষ্য করুন

প্রবাসের আরো খবর কিংবা অন্য যে কোন খবর অথবা লেখালেখি ইত্যাদি খুঁজতে উপরে মেনুতে গিয়ে আপনার কাংখিত অংশে ক্লিক করুন। অথবা ‌উপরেরর মেনু'র সর্বডানে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন এবং আপনার খবর বা লেখার হেডিং এর একটি শব্দ ইউনিকোড ফন্টে টাইপ করে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।