Tuesday, September 26, 2017

মিয়ানমারের গণহত্যার মুখে পালিয়ে আসা সাত লাখ রোহিঙ্গাকেও বাংলাদেশ খাওয়াতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (সেপ্টম্বর ১২, ২০১৭) দুপুরে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের অবস্থা পরিদর্শনে গিয়ে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। মিয়ানমার থেকে আসা সাত লাখ রোহিঙ্গাকেও বাংলাদেশ খাওয়াতে পারবে।
তিনি বলেন, আমরা ১৬ কোটি মানুষকে খাবার দেই। সুতরাং বিপদে পড়ে আমাদের দেশে আসা দুই-পাঁচ-সাত লাখ মানুষকে খাবার দেয়ার ক্ষমতাও আমাদের আছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের যেন কোনো কষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতেও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রায় এক কোটি বাঙালির শরণার্থী হওয়ার কথা স্মরণ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের খাদ্য, আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি। তবে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমাদের যা করার দরকার আমরা সেটি করবো। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আশ্রয় নেয়া অসুস্থদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থার নির্দেশ দেন।
গত ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নতুন করে দমন-পীড়ন ও গণহত্যা শুরু করলে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে তিন লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছেন। এর আগেও বিভিন্ন সময় দমন-পীড়ন থেকে বাঁচতে পালিয়ে আসেন আরও অন্তত চার লাখ রোহিঙ্গা।

2 Comments

সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা বিমানসেনা September 12, 2017 at 5:14 pm

“রোহিঙ্গাদেরও খাওয়াতে পারবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী” প্রধান মন্ত্রী, আমরাও আছি আপনার সাথে। আমাদের প্রধান মন্ত্রীর মতই কথা বলেছেন। বাংলাদেশে যখন মাত্র ৫ কোটি জন সংখ্যা ছিল তখন আমাদের ভাতের অভাব ছিল, কিন্তু আজ প্রায় ১৭ কোটি কিন্তু কোনো দেশবাসী ভাত না খেয়ে মারা যায় না। সুতরাং ঐ ৩/৪ লক্ষ রোহিংগাও আমাদের ভাতের অভাব সৃষ্টি করতে পারবে না। তবে মায়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে একটা জনমত সৃষ্টির চেষ্টা করুন কারন তারা রোহিংগাদের জান-মাল রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা September 12, 2017 at 5:14 pm

সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা বিমানসেনা September 12, 2017 at 5:14 pm
“রোহিঙ্গাদেরও খাওয়াতে পারবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী” প্রধান মন্ত্রী, আমরাও আছি আপনার সাথে। আমাদের প্রধান মন্ত্রীর মতই কথা বলেছেন। বাংলাদেশে যখন মাত্র ৫ কোটি জন সংখ্যা ছিল তখন আমাদের ভাতের অভাব ছিল, কিন্তু আজ প্রায় ১৭ কোটি কিন্তু কোনো দেশবাসী ভাত না খেয়ে মারা যায় না। সুতরাং ঐ ৩/৪ লক্ষ রোহিংগাও আমাদের ভাতের অভাব সৃষ্টি করতে পারবে না। তবে মায়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে একটা জনমত সৃষ্টির চেষ্টা করুন কারন তারা রোহিংগাদের জান-মাল রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

Leave a Comment

সব খবর (সব প্রকাশিত)

লক্ষ্য করুন

প্রবাসের আরো খবর কিংবা অন্য যে কোন খবর অথবা লেখালেখি ইত্যাদি খুঁজতে উপরে মেনুতে গিয়ে আপনার কাংখিত অংশে ক্লিক করুন। অথবা ‌উপরেরর মেনু'র সর্বডানে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন এবং আপনার খবর বা লেখার হেডিং এর একটি শব্দ ইউনিকোড ফন্টে টাইপ করে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।