Nov 22, 2017

নিউইয়র্ক : খান আতা প্রসঙ্গে কথা বলছেন মুক্তিযোদ্ধা ও চলচ্চিত্র পরিচালক আবুল বাশার চুন্নু (বাম থেকে দ্বিতীয়)। পাশে যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সভাপতি রাশেদ আহমেদ, সেক্রেটারি রেজাউল বারি, সহ-সভাপতি হারুন ভূইয়া এবং সহ-সম্পাদক সোলায়মান আলী। ছবি-এনআরবি নিউজ।

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে : নিউইয়র্কে সপরিবারে বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধা ও চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রয়োজক আবুল বাশার চুন্নু ২২ অক্টোবর রোববার বলেছেন, ‘একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণকারি খান আতাউর রহমান শুধু মিডিয়ায় বিবৃতিই দেননি, তিনি পাক হায়েনাদের সাফাই গেয়ে রেডিও-টিভিতে অনুষ্ঠানও করেছেন। এজন্যে, স্বাধীনতার পরই আত্মগোপনে যেতে হয় তাকে।’
চুন্নু বলেন, ‘কিন্তু আমরা চাচ্ছিলাম তার ট্যালেন্টকে ব্যবহার করে ভাল চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্যে। সে প্রত্যাশায় আমরা তাকে অভয় দেই যে, অফিসে এলে কেউ তাকে হামলা করবে না।’
‘সে সময়ে তেজগাঁ থানার এসআই লুৎফর রহমান কিসলু এবং আমি দিন-রাত ভাগ করে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করি। কাকরাইলের দু’তলা অফিসে বসতেন তিনি। এভাবেই খান আতাউর রহমান স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সক্ষম হন’-উল্লেখ করেন চুন্নু।
সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের যুক্তরাষ্ট্র শাখার কর্মকর্তাগণকে পাশে রেখে মুক্তিযোদ্ধা চুন্নু বলেন, ‘সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও মুক্তিযোদ্ধা নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু যে কথা বলেছেন খান আতার ব্যাপারে, তা সত্য। খান আতা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি ছিলেন। তিনি পাকিস্তানীদের পক্ষেই সক্রিয় ছিলেন।’
‘আমি খান আতার মরনোত্তর বিচার চাই। যারাই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে, তাদেরই বিচার হওয়া উচিত’-উল্লেখ করেন এই মুক্তিযোদ্ধা।
খান আতার স্বরূপ উন্মোচনের জন্যে বিবেকসম্পন্ন সকলকে সোচ্চার হবার আহবান জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা চুন্নু। এই বিবৃতি প্রদানের সময় চুন্নুর পাশে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সভাপতি রাশেদ আহমেদ, সেক্রেটারি রেজাউল বারি, সহ-সভাপতি হারুন ভ’ইয়া এবং সহ-সম্পাদক সোলায়মান আলী।

 

 

1 Comment

সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা বিমানসেনা October 25, 2017 at 5:26 pm

মরনোত্তর বিচার খান আতার হওয়া দরকার কিন্তু তার চেয়েও বেশী দরকার সেই জেনারেলের যে জেনারেল ১৯৭৫ এর ১৫ আশষ্ট সারারাত বংগবন্ধু হত্যার খবরের আশায় সেনা সদরে ইউনিফর্ম পরিহিতি অবস্থায় অবস্থান করছিলেন । স্বপরিবারে বংগবন্ধুকে হত্যা করার পর সেই কুখ্যাত সেনা অফিসারগন সেনানিবাসে গিয়ে ঐ জেনারেলের কাছে সর্বপ্রথম সেই হত্যাকান্ডের খবর পৌছে দিয়েছিলেন এবং সেই জেনারেল উচ্চস্বরে বলেছিলেন “সাবাস, সাবাস ,সাবাস।

Leave a Comment

সব খবর (সব প্রকাশিত)

লক্ষ্য করুন

প্রবাসের আরো খবর কিংবা অন্য যে কোন খবর অথবা লেখালেখি ইত্যাদি খুঁজতে উপরে মেনুতে গিয়ে আপনার কাংখিত অংশে ক্লিক করুন। অথবা ‌উপরেরর মেনু'র সর্বডানে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন এবং আপনার খবর বা লেখার হেডিং এর একটি শব্দ ইউনিকোড ফন্টে টাইপ করে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।