Feb 22, 2018

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে : গ্রীণকার্ডের আশায় অর্থের বিনিময়ে পাতানো বিয়ের ঘটনায় দোষ স্বীকার করলেন টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসের বাসিন্দা আমেনা সীমা (৩৭)।
গত সপ্তাহে টেক্সাস নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্ট ফেডারেল কোর্টে জজ রিনী হ্যারিস টরিভারের এজলাসে সীমা স্বীকার করেন যে, ডালাসের ইমিগ্রেশন এটর্নী বিলাল খালেকের সহকারি হিসেবে কর্মরত অবস্থায় এটর্নী খালেকের পরামর্শে নিজের ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস বৈধ করতে স্থানীয় এক সিটিজেনের সাথে চুক্তি করেন। সে অনুযায়ী ২০১৫ সালের মে মাসে সীমা ঐ লোকটিকে ৭৪৫ ডলার প্রদান করেন এবং তাকে জানান যে, বিয়ের মধ্য দিয়ে গ্রীণকার্ড হাতে পাবার পর আরো অর্থ দেয়া হবে। এর পরের মাসের ১৫ তারিখে সীমা তার সাথে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং নিজের বাসায় ঐ লোকটির ব্যবহার্য কিছু কাপড়-চোপরও রাখেন। এরপর আই-১৩০ এবং আই-৪৮৫ ফরম পূরণ করেন গ্রীণকার্ডের জন্যে। সে সময় জয়েন্ট ট্যাক্স রিটার্নের ডক্যুমেন্টও পেশ করা হয়।
প্রতারণার এসব তথ্য উদঘাটন করেছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের লোকজন। সহকারি ইউএস এটর্নী লীন জেভিয়ার এই মামলা পরিচালনা করছেন। ফেডারেল কোর্টে দোষ স্বীকারের পরও সীমাকে জামিন দেয়া হয়নি। কারণ, ঐ এটর্নী খালেক (৪৭) এর বিচার শুরু হবে আসছে ১১ ডিসেম্বর। খালেক যদি দোষী সাব্যস্ত হন তাহলে তার সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল এবং আড়াই লাখ ডলার জরিমানা হতে পারে বলে ইউএস এটর্নী অফিস জানায়।

0 Comments

Leave a Comment

বিজ্ঞাপন

পাঠকের মন্তব্য

বিজ্ঞাপন

লক্ষ্য করুন

প্রবাসের আরো খবর কিংবা অন্য যে কোন খবর অথবা লেখালেখি ইত্যাদি খুঁজতে উপরে মেনুতে গিয়ে আপনার কাংখিত অংশে ক্লিক করুন। অথবা ‌উপরেরর মেনু'র সর্বডানে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন এবং আপনার খবর বা লেখার হেডিং এর একটি শব্দ ইউনিকোড ফন্টে টাইপ করে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন।
ধন্যবাদ।

বিজ্ঞাপন