Jan 17, 2018

আজ ৫ জানুয়ারী ২০১৮, বর্তমান গণতান্ত্রীক সরকারের ৪তম (চতুর্থ) বর্ষপূর্তি। গণতন্ত্রের বিজয় ও সংবিধান রক্ষা দিবস। ২০১৪ সালের আজকের এই দিনে-সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গণতন্ত্রের বিজয় অর্জন এবং দেশের সংবিধান রক্ষা করতে-সক্ষম হয়েছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধু’ ও ‘বঙ্গমাতা’র সুযোগ্য কন্যা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ইতিহাসে সফল প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, অসাম্প্রদায়িক চেতনার কান্ডারী, দারিদ্র বিমোচনের প্রতীক, নারীর ক্ষমতায়নের প্রতীক, বিশ্বশান্তি ও মানবতার জননী, দেশরত্ন-জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাই, আজকের এই দিনে-তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে, তাঁর প্রতি ‘শ্রদ্ধায়ভরা’ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন, হল্যান্ড আওয়ামী লীগের সকল নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের নেতারা আরও বলেন, শুধু উপমহাদেশে নয়-বিশ্বের অন্যতম সাহসী নেত্রী ও বাংলাদেশের দক্ষ রাষ্ট্র্রনায়ক, জননেত্রী শেখ হাসিনা আজকের এই দিনে-সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও সংবিধান সমুন্নত রাখতে পুরোপুরি ভাবে সফল হয়েছিলেন। আজকের দিনে-গণতান্ত্রিক ভাবে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন, তিনি তথা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি গণতান্ত্রীক সরকার থেকে, আরেকটি গণতান্ত্রীক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়। তাই, ৫ জানুয়ারী, গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষা দিবস। গণতন্ত্রের বিজয় দিবস।
নেতৃবৃন্দ, আরও উল্লেখ করেনঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের গণতন্ত্র সুরক্ষায়-একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু-স্বচ্ছ ও গ্রহনযোগ্য ‘নির্বাচন অনুষ্ঠানে’ তিনি অত্যান্ত আন্তরিক ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞবদ্ধ ছিলেন। তৎকালীন বিরোধী দলগুলো যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন, সে লক্ষ্যে এবং গণতন্ত্রের স্বার্থেই-তৎকলীন সময়ের প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত তাঁর উদার ও নায়কোচিত ভাষণে-তিনি ‘নির্বাচনকালীন সময়ে সর্বদলীয় সরকার’ গঠনেরও এক ‘ঐতিহাসিক প্রস্তাব’ রেখেছিলেন।
এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা ফোনালাপেও তৎকালীন সময়ে লাগাতার সংসদ বর্জনকারী বিরোধীদলীয় নেত্রী বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে সংলাপে বসার জন্যও অনুরোধ করেছিলেন। যে কোন মন্ত্রণালয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন, তৎকালীন এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা। সকল প্রকার সন্ত্রাস, ধব্বংস্মাতক কর্মকান্ড, নৈরাজ্য-সংঘাত ও হানাহানির পথ পরিহার করে, ‘গণতন্ত্রে’র পথে এগিয়ে আসার জন্যও বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছিলেন, তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু-দুঃখের বিষয় ‘চোরায়’ না শুনে ধর্মের কাহিনী!
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত সকল প্রকার প্রস্তাব প্রত্যাখান করে, যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছিলেন। তিনি নির্বাচন পূর্ববর্তীতে-তার দোসর জামায়াত-শিবিরকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিনিয়ত নানা ইস্যুবিহীন হরতাল দিয়ে, জালাও-পোড়াও করে মানুষ হত্যা করেছে! এবং ধব্বংস্মাতক কর্মকান্ডের মাধ্যমে দেশের কোটি কোটি টাকার সম্পদ ধব্বংস করেছে।
৫ জানুয়ারী ২০১৪, গণতান্ত্রীক ও সাংবিধানিক ভাবে অনুষ্ঠিত নির্বাচন বানচাল করার লক্ষ্য নিয়ে-পাকি প্রেমী বেগম খালেদা জিয়া, তার সোনার ছেলেদের দিয়ে সন্ত্রাস করিয়ে শত শত স্কুল জালিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। শত শত মানুষকে প্রেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। এজন্য মানবাধিকার লংঘনের দায়ে-বেগম খালেদা জিয়ার বিচার হওয়া উচিত। ৫ জানুয়ারীর ২০১৪-এর, নির্বাচন বর্জন করে, বেগম খালেদা জিয়া এবং তার দুর্নীতিবাজ কুলাঙ্গার পুত্র শতভাগ দেউলিয়া ও উন্মাদ হয়ে, নির্লজ্জভাবে বিভিন্ন সময়ে আবোল-তাবল বক্তব্য অব্যাহত রাখে। আসন্ন নির্বাচনেও আবারও তারা সন্ত্রাস, ধব্বংস্মাতক কর্মকান্ড, নৈরাজ্য-সংঘাত ও হানাহানির পথ বেছে নেয়ার ষড়যন্ত্র করছে।
হল্যান্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বলেন, যারা জাতির পিতা ও দেশের সংবিধানকে অস্বীকার করে, স্বাধীন বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই। ৫ জানুয়ারী ২০১৪, গণতান্ত্রীক ও সাংবিধানিক ভাবে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এবং সরকার গঠন করে, জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে-বাংলাদেশে যে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, তা বিশ্বে বিরল। সাড়াবিশ্বে বাংলাদেশ এখন ‘উন্নয়নের রোল মডেল।’
অতএব, উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার লক্ষে, দেশে-বিদেশে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার মধ্যদিয়ে- আগামী একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনেও ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা তথা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে’ আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিজয়ী করবো, আজকে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবসে’ ইহাই হোক আমাদের সকলের অঙ্গীকার! জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেনঃ নেদারল্যান্ড(হল্যান্ড) আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত-সভাপতি জনাব এমদাদ হোসেন, ইমরান হোসেন, সন্দীপ কুমার দাস, জাকিরুল হক টিপু, আবরার হোসেন শামীম, উপদেষ্ঠা পরিষদের সদস্য জনাব মতিউর রহমান ও অমিত কাজল, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শ্যামল শীল, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবদীন, রশীদ রানা ও জসিম উদ্দিন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল বাবুল, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক বিষ্ণু বিস্বাস, জনসংযোগ সম্পাদক ফজলুর রহমান, যুব ক্রীড়া সম্পাদক শামীম আক্রাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ভূশন চন্দ্র নাথ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নীপু দাশ ও কোষাধ্যক্ষ লক্ষন সরকার, কার্যনির্বাহী সংসদে’র সদস্য আলাউদ্দিন মোল্লা, জাহিদ হোসেন, আশিক, রানা আহমেদ, আতিকুর রহমান, নূরুল ইসলাম নোমান, কামাল হোসেন, তপন সরকার এবং সদস্য সাইফুল ইসলাম ও মশিয়ুর রহমান প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

0 Comments

Leave a Comment

বিজ্ঞাপন

পাঠকের মন্তব্য

বিজ্ঞাপন

লক্ষ্য করুন

প্রবাসের আরো খবর কিংবা অন্য যে কোন খবর অথবা লেখালেখি ইত্যাদি খুঁজতে উপরে মেনুতে গিয়ে আপনার কাংখিত অংশে ক্লিক করুন। অথবা ‌উপরেরর মেনু'র সর্বডানে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন এবং আপনার খবর বা লেখার হেডিং এর একটি শব্দ ইউনিকোড ফন্টে টাইপ করে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন।
ধন্যবাদ।

বিজ্ঞাপন