Feb 24, 2018

নিউইয়র্ক : জাতিসংঘ আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেনমিন লিউ’র সাথে বৈঠকে স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এম.পি। ছবি-এনআরবি নিউজ।

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে : জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাগ (ডেসা)- এর আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেনমিন লিউ’র (Zhenmin Li) সাথে বৈঠক করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এম.পি।
১ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের শুরুতে ডেসার আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল স্পীকারকে ধন্যবাদ জানান।
আর্থ-সামাজিক খাতে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বিশেষ করে দারিদ্র্য নির্মূলে বাংলাদেশ যে সাফল্য অর্জন করেছে তার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন লিউ।
স্বল্পোন্নত দেশের ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের নিশ্চয়তা দেন। এ প্রসঙ্গে লিউ বলেন, “বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশসমূহ এবং এই অঞ্চলের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে”।
স্পীকার আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলকে দারিদ্র্য বিমোচন, মানসম্মত শিক্ষা, কৃষি উৎপাদনশীলতা, খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, স্বাস্থ্য-পুষ্টি-সেবা, গড় আয়ু বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়নসহ আর্থ-সামজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের সাফল্যের তথ্য তুলে ধরেন।
বয়স্ক জনসংখ্যার কল্যাণে বাংলাদেশ যে সকল নীতি ও কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সে বিষয়েও তিনি আলোকপাত করেন। তিনি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, এসডিজি বাস্তবায়ন ও এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় ডেসার সহযোগিতা কামনা করেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুটি উত্থাপন করে স্পীকার এ সমস্যা সমাধানে আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের সার্বিক সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টা প্রত্যাশা করেন।
আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি জাতিসংঘ মহাসচিবের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিক এজেন্ডার একটি। তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুর মানবিক ও রাজনৈতিক সমাধানে জাতিসংঘের সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশে স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

 

1 Comment

সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা বিমানসেনা February 2, 2018 at 7:30 pm

“আর্থ-সামাজিক খাতে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বিশেষ করে দারিদ্র্য নির্মূলে বাংলাদেশ যে সাফল্য অর্জন করেছে তার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন লিউ।” বিশ্ব সংস্থা যা কিছুই বলুন না কেন আমাদের কিছু রাজনৈতিক দল কোনো দিনও সেই মন্তব্যকে গ্রহন করবেন না তাদের রাজনৈতিক অবস্থানের কারনে। তারা এখনও বলেন এই বাংলাদেশ পাকিস্তানের অংশ থাকাকালীন অনেক ভাল ছিল। আর সেই কারনেই তারা বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সাথে কনফেডারেশন বানাবার চেষ্টাও করেছিল। কিন্তু তারা জানে না এই বাংলাদেশ ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা এনেছিল এবং ভবিষ্যতে আরও ৩০ লক্ক কিংবা তার চেয়েও বেশী জীবন বিসর্জন দিয়ে হলেও বাংলাদেশকে রক্ষা করবে। যারা পাকিস্তানের দালাল হিসেবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিল এবং ৭১ সনের ৯ মাস পাক সেনাদের হেফাজতে সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে অবস্থান করছিলেন তাদের জন্য বাংলাদেশ নয়, তাদের উচিত তাদের সেই প্রিয় পাকিস্তানে চলে যাওয়া। তাদেরকে মনে রাখতে হবে মুক্তিযোদ্ধা জেনারেশন এখনও নিঃশেষ হয়ে যায় নি। যারা এখনো জীবিত আছি তারাই ঐ কুলাংগারদেকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য যথেষ্ট।

Leave a Comment

বিজ্ঞাপন

পাঠকের মন্তব্য

বিজ্ঞাপন

লক্ষ্য করুন

প্রবাসের আরো খবর কিংবা অন্য যে কোন খবর অথবা লেখালেখি ইত্যাদি খুঁজতে উপরে মেনুতে গিয়ে আপনার কাংখিত অংশে ক্লিক করুন। অথবা ‌উপরেরর মেনু'র সর্বডানে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন এবং আপনার খবর বা লেখার হেডিং এর একটি শব্দ ইউনিকোড ফন্টে টাইপ করে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন।
ধন্যবাদ।

বিজ্ঞাপন