Feb 24, 2018

কুইন্স লাইব্রেরি হলিস শাখার পৃষ্ঠপোষকতায় প্রথম বারের মত গড়ে উঠেছে বাংলা বুক ক্লাব ‘পাঠকের পাতা’। পাঠকের পাতা ইংরেজি বইয়ের পাশাপাশি বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের বাংলা বই পাঠে উৎসাহ–অনুপ্রেরণা যোগাবে। প্রতি মাসে একটি বাংলা বই নির্বাচন করে ক্লাবের সদস্যদের সেই বইটি পাঠ করার আহ্বান জানানো হবে এবং মাসের তৃতীয় শনিবার বিকেলে ক্লাবের সকল সদস্য একত্রিত হয়ে বইটি নিয়ে আলোচনা করবে। এর মধ্য দিয়ে একটি ভালো বই পড়া যেমন হবে সেই বইটি পড়ে কে কি বুঝতে পারলেন তা একে অন্যের সাথে শেয়ার করে নিজেদের চিন্তা ও শিক্ষা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন। ভাষার মাস ফেব্রুয়ারির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে ‘একুশের কথা একুশের চেতনা’ গ্রন্থটি। একুশ জন ভাষা সৈনিকের একুশটি প্রবন্ধের সংকলন এই গ্রন্থ। প্রবন্ধগুলি বাছাই ও সংকলন করেছেন নিউ ইয়র্কে বসবাসকারী ভাষা গবেষক ওবায়েদুল্লাহ মামুন।
একুশের কথা একুশের চেতনা গ্রন্থটির ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে, ২০২-০৫ হিলসাইড এভিন্যুতে অবস্থিত কুইন্স লাইব্রেরীর হলিস শাখায়। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। গ্রন্থটির ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন বা মুখ্য আলোচকের দায়িত্ব পালন করবেন কবি ও কথাশিল্পী কাজী জহিরুল ইসলাম। আরো তথ্যর জন্য শাখা ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ জাহিদের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে। ফোন নম্বর-৭১৮-৪৬৫-৭৩৫৫
একুশের কথা একুশের চেতনা গ্রন্থে সন্নিবেশিত একুশটি প্রবন্ধ ও রচয়িতাদের নাম নিচে দেওয়া হল। পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সমস্যা – ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ (প্রবন্ধ, পৃষ্ঠা ৭), বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রের ভাষা হিসাবে মর্যাদা প্রদান করিতে হইবে – ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (পাকিস্তান গণপরিষদে প্রদত্ত পূর্ব পাকিস্তান থেকে নির্বাচিত সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বক্তব্য, পৃষ্ঠা – ৯), একুশের স্মৃতিচারণ – আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ (স্মৃতিচারণ, পৃষ্ঠা- ১১), ভাষা আন্দোলন প্রসঙ্গ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (স্মৃতিচারণমূলক রাজনৈতিক নিবন্ধ, পৃষ্ঠা-১৭), জেলখানায় একুশে – সরদার ফজলুল করিম (নিবন্ধ, পৃষ্ঠা – ২৩), তাজউদ্দীন আহমদের ডায়েরি থেকে – তাজউদ্দিন আহমদ (দিনপঞ্জি, পৃষ্ঠা-৩১), ভাষা আন্দোলন কি এবং তাতে কি ছিল – আব্দুল মতিন (ইতিহাসভিত্তিক নিবন্ধ, পৃষ্ঠা-৩৯), সেই ‘একুশে’ থেকে আজ একুশে – মুস্তাফা নূরউল ইসলাম (নিবন্ধ, পৃষ্ঠা – ৫৭), আমি দেখেছি মানুষের ক্ষোভ আর ক্রোধ কাকে বলে – কাজী গোলাম মাহবুব (নিবন্ধ, পৃষ্ঠা-৬১), ভাষার লড়াইয়ের তুঙ্গ মুহূর্তগুলো – গাজীউল হক (স্মৃতিচারণ, পৃষ্ঠা-৬৪), বাংলা ভাষা আন্দোলনের সমগ্র ইতিহাস – এম আর আখতার মুকুল (ইতিহাসভিত্তিক নিবন্ধ, পৃষ্ঠা – ৭৬), একুশের চেতনা একুশের প্রভাব – আহমদ রফিক (নিবন্ধ, পৃষ্ঠা- ১০১), প্রথমে মাতৃভাষা, পরভাষা পরে – মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান (নিবন্ধ, পৃষ্ঠা – ১০৫), ভাষা আন্দোলনের গোড়ার কথা এবং আমি – অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ (স্মৃতিচারণ, পৃষ্ঠা – ১১৩), কবিতার জন্ম স্মৃতিস্তম্ভ – আলাউদ্দিন আল আজাদ (স্মৃতিচারণ, পৃষ্ঠা-১২৭), বায়ান্নর ভাষার লড়াই – হাসান হাফিজুর রহমান (স্মৃতিচারণ, পৃষ্ঠা – ১৩৪), বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে নারীদের অংশগ্রহণ ছিল অতি বৈপ্লবিক ঘটনা – ড. সুফিয়া আহমেদ (নিবন্ধ, পৃষ্ঠা – ১৩৮), একুশে ফেব্রুয়ারী ও শহীদ মিনার – রফিকুল ইসলাম (নিবন্ধ, পৃষ্ঠা – ১৪৩), আমাদের সংগ্রামের পথরেখা – কামাল লোহানী (নিবন্ধ, পৃষ্ঠা – ১৫৬), একুশকে নিয়ে কিছু স্মৃতি – আবদুল গাফফার চৌধুরী (নিবন্ধ, পৃষ্ঠা – ১৬১), একুশে ফেব্রুয়ারী ও আমাদের সাংস্কৃতিক চেতনা – আনিসুজ্জামান (নিবন্ধ, পৃষ্ঠা – ১৭৭)।

0 Comments

Leave a Comment

বিজ্ঞাপন

পাঠকের মন্তব্য

বিজ্ঞাপন

লক্ষ্য করুন

প্রবাসের আরো খবর কিংবা অন্য যে কোন খবর অথবা লেখালেখি ইত্যাদি খুঁজতে উপরে মেনুতে গিয়ে আপনার কাংখিত অংশে ক্লিক করুন। অথবা ‌উপরেরর মেনু'র সর্বডানে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন এবং আপনার খবর বা লেখার হেডিং এর একটি শব্দ ইউনিকোড ফন্টে টাইপ করে সার্চ আইকনে ক্লিক করুন।
ধন্যবাদ।

বিজ্ঞাপন